ক্যাম্পাস প্রতিনিধি :
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম শাখার ২০৮ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশিত হয়েছে। গত শুক্রবার (১৪মার্চ) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক এম. জে. এইচ মঞ্জু ও কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আতিক শাহরিয়া সাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন অফিসিয়াল পেইজে এই কমিটি প্রকাশিত হয়। এতে সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমানকে আহ্বায়ক এ চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী হুসাইন মাসুমকে সদস্য সচিব নির্বচিত করা হয়েছে।
এছাড়াও কমিটি আরও রয়েছেন মূখ্য সংগঠক ইস্ট ডেল্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী রুবায়েত সম্রাট,মুখপাত্র চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার।
এ বিষয়ে হুসাইন মাসুম বলেন, চট্টগ্রামের ৯ টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ও সব বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের জুলাইয়ে সম্মুখসারির আন্দোলনকারীদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। মূলত অরাজনৈতিক এই প্লার্টফর্মটি বিচার এবং সংস্কার এর কাজকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কাজ করবে,এই প্লার্টফর্ম ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরে জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করতে এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্যই এই কমিটি কাজ করে যাবে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক চৌধুরী সিয়াম ইলাহী বলেন, ঢাকার পরে আমরা চট্টগ্রামকে কল্পনা করি সব সময় কিন্তু,এই গণ অভ্যুত্থানে চট্টগ্রাম দেখিয়ে দিয়েছে ঢাকাকে কেবলা করে চট্টগ্রাম চলে না, ১৫ই জুলাই যখন চবি আন্দোলনে যুক্ত হতে পারেনি সেদিনই চট্টগ্রামের সকল প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এক হয়ে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। আমাদের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এর যে কমিটি আজ হয়েছে এতে আমরা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা বিভিন্নভাবে আন্দোলনে অবদান রেখেও এতদিন হারিয়ে গিয়েছিল তাদের সামনে এনেছি। আশা রাখছি, এই কমিটি চট্টগ্রামে এখনো যেই আন্দোলনকারীদের মামলা নিষ্পত্তি হয়নি তা নিষ্পত্তি করনের জন্য কাজ করার মাধ্যমেই নিজেদের সাংগঠনিক কাজ শুরু করবে।
কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক রিদুয়ান সিদ্দিকী বলেন ,নব গঠিত কমিটির সবাইকে অভিনন্দন,চট্টগ্রামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অবদান তা অনস্বীকার্য। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় অবদানগুলোলে সমুন্নত রাখতে এবং প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করবে এই কমিটি।


