ভারতের দিল্লিতে আন্দোলনের জন্য নির্ধারিত স্থান হিসেবে যন্তর মন্তরের স্বীকৃতি বাতিলের একদিন পরই তালাবদ্ধ গেট টপকে সেখানে প্রবেশ করেছেন ককোরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় দলটির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস, জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ও অজিঙ্ক শিন্ডেসহ কয়েকজনকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে জাতীয় পতাকা হাতে অন্তত ১০ জন কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন তারা। এ সময় ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা দো’ স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। পরে পুলিশ তাদের আটক করে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, যন্তর মন্তরে প্রবেশ ও বিক্ষোভের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এতে তিনি বলেন, আন্দোলনের জায়গার স্বীকৃতি বাতিল করা গেলেও প্রতিবাদ থামানো সম্ভব নয়।
আটকের আগে দলটির নেতারা জানান, যন্তর মন্তর থেকেই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে চান তারা। তবে তাদের আটকের পর পুলিশি পদক্ষেপের বিস্তারিত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।

এর আগে, ১২ অক্টোবর দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত প্রতিবাদস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আন্দোলনের জন্য বিকল্প তিনটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দান।
যন্তর মন্তর দীর্ঘদিন ধরে দিল্লিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। স্থানটির স্বীকৃতি বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সিজেপি জানিয়েছে, এতে তাদের প্রতিবাদ বন্ধ করা যাবে না।
আরু|



