দুই সপ্তাহের জমজমাট লড়াই শেষে জাপানের আইচি-নাগোয়ায় পর্দা নেমেছে ২০তম এশিয়ান গেমসের। সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর। এবারের আসরে ৪৫টি দেশ ও অঞ্চলের পাশাপাশি অংশ নেয় অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার শরণার্থী দল।
পদক তালিকায় যথারীতি আধিপত্য ধরে রেখেছে চীন। ১৬৯টি সোনাসহ মোট ৩৪১টি পদক নিয়ে শীর্ষে রয়েছে দেশটি। এ নিয়ে টানা ১২তম এশিয়ান গেমসে পদক তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রাখল চীন।
বাংলাদেশের জন্য এবারের আসরের সবচেয়ে বড় অর্জন এসেছে উশু থেকে। নারী ৫২ কেজি ওজন শ্রেণিতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন জিন্নাত আক্তার। কোয়ার্টার ফাইনালে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী নির্ধারিত ওজনের বেশি হওয়ায় অযোগ্য ঘোষিত হলে লড়াই ছাড়াই সেমিফাইনালে উঠে যান জিন্নাত। সেমিফাইনালে চীনের প্রতিপক্ষের কাছে হেরে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করেন তিনি।
জিন্নাতের এই পদক বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এটি একক ইভেন্টে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম পদক ৪০ বছর পর।

সর্বশেষ ১৯৮৬ সালের সিউল এশিয়ান গেমসে বক্সার মোশাররফ হোসেন ব্যক্তিগত ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন।
এবার বাংলাদেশ ২২টি ডিসিপ্লিনে অংশ নেয়। ক্রিকেট, কাবাডি, আর্চারি ও শুটিংসহ কয়েকটি ইভেন্ট থেকে পদকের প্রত্যাশা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সাফল্য আসে শুধু উশুতে।
পদক তালিকায় বাংলাদেশ একটি ব্রোঞ্জ নিয়ে নিচের দিকে অবস্থান করে। একই সংখ্যক ব্রোঞ্জ পেয়েছে ব্রুনাই, লাওস ও সিরিয়াও। বর্ণানুক্রমিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ তাদের মধ্যে ৩৭তম স্থানে রয়েছে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেন। মার্চপাস্টের পর পরবর্তী এশিয়ান গেমসের আয়োজক হিসেবে কাতারের দোহাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। মশাল নেভানোর মধ্য দিয়ে শেষ হয় আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিকতা। আগামী ২০তম? নয় ২১তম এশিয়ান গেমস ২০৩০ সালে কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত হবে।
আরু|



