রাজধানীর জুলাই জাদুঘরের পেছনে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ ও বুদ্ধিজীবী কবরস্থান এলাকায় নাশকতার উদ্দেশ্যে ককটেল ও পেট্রোল বোমা মজুদ করা হয়েছিল বলে ধারণা করছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-২।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিস্ফোরকগুলোর অবস্থান শনাক্তের পর বোম ডিসপোজাল টিম অভিযান চালিয়ে সেগুলো উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করেছে বলে জানিয়েছেন এসআরবি-২ অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।
সোমবার রাতে রায়েরবাজারে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দুষ্কৃতকারীরা নাশকতার উদ্দেশ্যে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ ও বুদ্ধিজীবী কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় এসব বিস্ফোরক মজুদ করে থাকতে পারে।
তিনি জানান, গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে বিস্ফোরক রাখার স্থান শনাক্ত করা হয়। পরে বোম ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেল ও পেট্রোল বোমা শনাক্ত করে।
এসআরবি-২ অধিনায়ক বলেন, কোনো ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা থাকলে তা নস্যাৎ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্ষম হয়েছে। তবে এসব বিস্ফোরক কারা এনে রেখেছে, তা শনাক্তে তদন্ত চলছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।
এর আগে গত বছর একই এলাকার কাছাকাছি স্থান থেকে পেট্রোল বোমা ও ককটেল উদ্ধারের কথাও জানান তিনি। তার ভাষ্য, নিরাপত্তার দিক থেকে এলাকাটি চ্যালেঞ্জিং। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় যে কেউ সহজে সেখানে যাতায়াত করতে পারে। এ সুযোগে দুষ্কৃতকারীরা জায়গাটি বেছে নিতে পারে।
এদিকে, ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধারের কথা জানিয়েছে এসআরবি। নিরাপত্তার কারণে রাতে সেগুলো নিষ্ক্রিয় না করে এসআরবি-২ এর সদর দপ্তরে নেওয়া হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিনের আলোয় ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এলাকাগুলো নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান নয়মুল হাসান।
আরু|



