জ্বালানির দাম বাড়ানোর পর সরকারের কাছে জনগণের সহনশীলতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার সময়ের সঙ্গে বর্তমান সরকারের পরিস্থিতির তুলনা করে তিনি বলেছেন, তখন জ্বালানির দাম বাড়লে পদত্যাগ চাইতেন, এখন তা চাওয়া উচিত হবে না।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. জাহেদ বলেন, শেখ হাসিনার সময়ে জ্বালানির দাম বাড়লে শুধু প্রতিবাদ নয়, সরকারের পদত্যাগও চাওয়া হতো।
কিন্তু বর্তমান সরকারকে তিনি নির্বাচিত সরকার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি ‘আমাদের সরকার’।
তেলের দাম বাড়ায় জনগণের কষ্ট হচ্ছে এবং আরও হতে পারে এ কথা স্বীকার করে সরকারের প্রতি সহনশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফের কোনো নির্দিষ্ট শর্ত বা চাপ নেই বলেও জানান তিনি।
এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়। বর্তমানে ডিজেল ১৩৫, কেরোসিন ১৫৫, পেট্রল ১৬০ এবং অকটেন ১৬৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গেও কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, দেশে কোনো রাজনৈতিক সংকট দেখছে না সরকার। বিরোধী দল নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করতে পারে, তবে ককটেল ফাটিয়ে বা বাসে আগুন দিয়ে সংকট তৈরি করা যাবে না।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সমালোচনা হতে পারে বলেও স্বীকার করেন ডা. জাহেদ। তার ভাষ্য, সিদ্ধান্তটি আরও কমানো বা অন্যভাবে করা যেত কি না এ নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনার সুযোগ রয়েছে।
আরু|



