টানা কয়েকদিন দরপতনের পর আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। বাজারে সাময়িক স্থিতিশীলতা এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য কূটনৈতিক অগ্রগতির বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের নজর থাকায় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১২টা ২১ মিনিট (জিএমটি) পর্যন্ত নভেম্বরের জন্য ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম ২২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ২২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ৫৭ সেন্টে দাঁড়ায়।
এদিকে মঙ্গলবার মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া অক্টোবরের ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ০২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৫ ডলার ৮০ সেন্টে লেনদেন হয়।
অন্যদিকে, বেশি লেনদেন হওয়া নভেম্বরের ডব্লিউটিআই কনট্রাক্টের দাম ১৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯২ ডলার ৪৯ সেন্টে পৌঁছায়।
রয়টার্স জানায়, কয়েক দফা দরপতনের পর বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ার পাশাপাশি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহই তেলের দামে এই সামান্য উত্থানের অন্যতম কারণ।
এর আগে সোমবার তেলের দাম ১২ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল। সৌদি আরবের তেল সরবরাহ আংশিকভাবে পুনরুদ্ধার এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা তখন বাজারে দাম কমার চাপ তৈরি করেছিল।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা, সৌদি তেল সরবরাহ পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সম্ভাব্য কূটনৈতিক যোগাযোগের ওপরই এখন আন্তর্জাতিক তেলবাজারের পরবর্তী গতিপথ অনেকটা নির্ভর করছে। রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় স্পষ্ট অগ্রগতি বা বড় ধরনের ধাক্কা না আসা পর্যন্ত তেলের দাম বিভিন্ন আন্তর্জাতিক খবরের প্রতি সংবেদনশীল থাকতে পারে।
আরু|



