দীর্ঘ সাত বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ঘোষণা করা হয়েছে ২০১৯ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া মো. রাশেদ খাঁনকে।
২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষিত জিএস ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিলের পর তাকে জিএস পদ থেকে সরিয়ে রাশেদ খাঁনকে ওই পদে ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।
সোমবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ।
সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের পর উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাশেদ খাঁন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় চিহ্নিত করে। পরে এ বিষয়ে তাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়। সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল তার ছাত্রত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। এর ধারাবাহিকতায় বাতিল করা হয় তার ডাকসুর জিএস পদও।
একই সঙ্গে ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া মো. রাশেদ খাঁনকে ওই পদে ঘোষণা করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে জিএস পদে গোলাম রাব্বানী ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রাশেদ খাঁন পান ৬ হাজার ৬৩ ভোট, যা ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
ওই নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন নুরুল হক নুর।
সিদ্ধান্তের পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব অবৈধ প্রমাণিত হওয়া এবং সিন্ডিকেটের শোকজের সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় তার ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডাকসুর জিএস পদও বাতিল করে ২০১৯ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ার ভিত্তিতে তাকে জিএস ঘোষণা করা হয়েছে।
আরু|



