বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের কোথাও কোনো রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটলে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে আইনসম্মত ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা আলিফকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিক ও রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ এবং কর্মসূচি পালনের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে। এই অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সম্প্রতি সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, এসব ঘটনা দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য অশনিসংকেত। হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
হবিগঞ্জের ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এ ঘটনায় এনসিপি ইতোমধ্যে মামলা করেছে। এখন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সরকার কী ধরনের আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়, সেটিই দেশবাসী পর্যবেক্ষণ করবে।
এনসিপির নেতাদের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়েরের সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দায়ের গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আইন ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে এসব ঘটনার প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
আরু/


