রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের পর আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভবন ছাড়ছেন মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর তিনি রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে উঠবেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শিগগিরই চিকিৎসার জন্য স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৫ জুলাই) এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাবেক রাষ্ট্রপতি জানান, তিনি সিঙ্গাপুর অথবা ব্যাংককে চিকিৎসা নিতে যেতে পারেন।
তিনি বলেন, জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) থেকে তাকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার স্ত্রী রেবেকা সুলতানাও অসুস্থ এবং চিকিৎসার জন্য তিনিও স্বামীর সঙ্গে বিদেশে যাবেন।
এর আগে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র পাঠান মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর সংসদ ভবনের শপথকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্পিকার। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণাও দেন তিনি।
মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতাকে পদত্যাগের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ফলে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় ২১ মাস আগেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি।
আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর হওয়ায় তার দায়িত্ব ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল।
বঙ্গভবন ছাড়ার প্রস্তুতি হিসেবে গত কয়েক দিন ধরেই তার ব্যক্তিগত মালপত্র গুলশানের বাসভবনে স্থানান্তর করা হচ্ছিল। ইতোমধ্যে বাড়িটির সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতার কাজও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি।
আরু/


