স্পেনের বিস্ময়বালক লামিনে ইয়ামাল আবারও ফুটবল ইতিহাসে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখেছেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই তিনি এমন এক অনন্য কীর্তি গড়েছেন, যা এর আগে বিশ্বের কোনো ফুটবলার করতে পারেননি। এই অর্জনের মাধ্যমে তিনি ফুটবলের অনেক কিংবদন্তি তারকারও নাগালের বাইরে থাকা এক রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে মাঠে নেমে ইয়ামাল ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে কিশোর (টিনএজার) বয়সে একই সঙ্গে উয়েফা ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল এবং ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার রেকর্ড গড়েছেন।
এর আগে ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে স্পেনের জার্সিতে ফাইনালে খেলেছিলেন বার্সেলোনার এই তরুণ তারকা। সেই আসরে স্পেন ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপা জেতে এবং পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য প্রশংসা কুড়ান ইয়ামাল।
দুই বছর পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও স্পেনকে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। পুরো আসরে আক্রমণভাগে সৃজনশীলতা, গতি ও ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার সামর্থ্য দিয়ে দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হন এই তরুণ উইঙ্গার।
বিশ্বকাপের ফাইনালে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ইউরো ও বিশ্বকাপ—ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দুটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার বিরল কীর্তি গড়লেন ইয়ামাল। এ অর্জন তাকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড়দের কাতারে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এত অল্প বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবলে যে ধারাবাহিকতা ও পরিণত মানসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন ইয়ামাল, তা ভবিষ্যতে তাকে বিশ্বের সেরাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আরু/


