অংগ্য মারমা, মানিকছড়ি প্রতিনিধি:
মানিকছড়ি উপজেলা সদর থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে ওয়াকছড়ি গ্রাম। রাস্তাঘাট এখনোও অনুন্নত রয়ে গেছে। এই গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা চিংসাবাই মারমা (৪৮) পরিবারে বসবাস। তিনি দুই ছেলে ১ কণ্যা সন্তান নিয়ে দিন মজুরী কাজের রোজগারে উপর সংসার চলত। চিংসাবাই প্রত্যকদিন সকাল হলে অন্য ধানের জমিতে না হয় সবজির খামারে কাজ পেলে সেখানে অন্যান্য নারী সাথে দিনমজুরী কাজ করত । বিকালে কাজ শেষ করে বাড়িতে ফিরতেন। তার শত কষ্ট মাঝেও সবার সাথে হাঁসি খুশিতে দিন কাটত।
কিন্তু চার মাস আগে তার শরীরে অজানা জটিল রোগ বেঁধেছে। তার বাম পায়ের অজানা জটিল রোগ (মারমা ভাষা অনেকে তেইংব্রু অন্য কেউ বলছে কাইগুয় নাং) ফোড়া উঠে বিছানা পড়ে আছে। প্রথমে বাম পায়ে একটা ফোড়া উঠলেও একই স্থানে তিনটি ফোড়া উঠে পায়ে আরো বেশী সংক্রমন হয়। এখন সংক্রমন জায়গা পুঁজ জমে পায়ে মাংস গলে পড়ছে। তিনি সংসারে অভাবে ডাক্তার দেখাতে পারছেন না। গ্রামের কবিরাজ (বৈদ্য) দিয়ে চিকিৎসা চলছে।
গ্রামে বাসিন্দা অংসা মারমা বলেন তার স্বামীও নাই। জটিল রোগ হওয়ার পর টাকা সংকটে ডাক্তার দেখাতে পারছেন না। ভাল ডাক্তার দেখাতে পারলেও হয়ত এতোদিনে সুস্থ হয়ে চলাফেরা করতে পারতেন। কিন্তু এখন তিনি বিছানায় শুয়ে দিন পার করছেন। অভিজ্ঞ ডাক্তার মাধ্যমে চিকিৎসা নিতে না পারলে তার বাম পা বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে বলে ধারনা করছেন।


