সুবর্ণচর প্রতিনিধি:
হজের সময় ব্যতীত বছরের যেকোনো দিন ওমরাহ পালন করা যায়।ওমরাহ পালনকারীরা আল্লাহর দাওয়াতি মেহমান। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত-রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহর পথে যুদ্ধে বিজয়ী, হজকারী ও ওমরাহকারী আল্লাহর মেহমান বা প্রতিনিধি।ওমরাহ পালনের লক্ষ্য নিয়ে যারা বায়তুল্লাহর উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। আল্লাহ তাদের প্রতি কদমে কদমে নেকি লিখে দেবেন।
ওমরাহর সফরে মক্কা ও মদিনার অনেক ঐতিহাসিক স্থান দেখার সুযোগ রয়েছে। আল নাফি ট্রাভেলস এজেন্সির স্বত্ত্বাধিকারী আলহাজ্ব মোঃ নাজিম উদ্দিন এ প্রসঙ্গে বলেন মক্কায় উল্লেখযোগ্য জায়গাগুলোর মধ্যে রয়েছে-সাফা-মারওয়া পাহাড়, রাসুল (সা.)-এর বাড়ি, হজরত খাদিজা (রা.)-এর সমাধি, জাবালে রহমত, জাবালে নূর, জাবালে সুর, জিন্দা কবর, মসজিদে মাশয়ারিল হারাম, জান্নাতুল মোয়াল্লাহ, মসজিদে আয়েশা (রা.), মসজিদে জিন, আরাফার ময়দান, মিনা, মসজিদে নামিরা, মসজিদে খাইফ, জামারাহ ও মুজদালিফাসহ আরও অনেক উল্লেখযোগ্য স্থান।
আলহাজ্ব মোঃ নাজিম উদ্দিন আরও বলেন মদিনার উল্লেখযোগ্য জায়গাগুলোর মধ্যে রয়েছে-রাসুল (সা.)-এর রওজা, মসজিদে নববী, রিয়াদুল জান্নাহ, উহুদের ময়দান, মসজিদে কুবা, মসজিদে কেবলাতাইন, বীরে আলি, জান্নাতুল বাকী, মসজিদে খন্দক, মসজিদে বেলাল, মসজিদে ইজাবা, মসজিদে গামামা, খেজুর বাগান, মসজিদে ওমরসহ আরও অনেক উল্লেখযোগ্য স্থান।
এ ছাড়াও নাজিম উদ্দিন বলেন জমজম কূপের পানি পানের মাধ্যমে ওমরাহ পালনকারীরা আত্মতৃপ্তি লাভ করে থাকেন। অনেক অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থতার নিয়তে জমজমের পানি পান করে থাকেন। বরকতময় জমজমের পানি পানের অনেক ফজিলত রয়েছে। মহান আল্লাহ সবাইকে ওমরাহ পালনের তওফিক দান করুক।



