মোঃ সোহেল, কক্সবাজার জেলা:
জন্মদিন মানেই প্রিয় ছোট ভাই ব্রাদার ও বন্ধুদের সঙ্গে একত্রিত হওয়ার একটি সুযোগ। একসঙ্গে কিছু সময় আনন্দে কাটানোর বা অভিনন্দন জানানোর একটি উপলক্ষ এটি।
বলছিলাম কক্সবাজার জেলা চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইউসুফের সন্তান মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, কক্সবাজার জেলা শাখার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয় শ্রমিকলীগ চকরিয়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মোঃ মিরানের ৪১তম জন্মদিন উদযাপিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাত ১২টার সময় চকরিয়া উপজেলা হারবাং ইউনিয়নের গয়ালমারা স্টেশন অবস্থিত যমুনা সঞ্চয় ঋণদান সমবায় সমিতি লিঃ কার্যালয়ে জন্মদিন উপলক্ষ্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ীরা উৎসবমুখর পরিবেশে জন্মদিনের কেক কেটে উদযাপিত করেন শুভেচ্ছা জানাতে থাকেন। তাদের অফুরন্ত ভালবাসায় সিক্ত হন তিনি
জন্মদিন পালনে উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী, প্রবাসী মোঃ মনির,হারবাং গয়ালমারা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি আলী আহাম্মদ, যুবনেতা মোঃ জুয়েল,ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিন, যুব নেতা মোজাম্মেল হক, কোম্পানি আব্দুল মালেক, যমুনা সঞ্চয় ঋণদান সমবায় সমিতি পরিচালক মোহাম্মদ জোবায়ের হোসেন,ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান, যুবনেতা মোঃ বাবুল, ছাত্রলীগ নেতা মোঃ রিফাত, জসিম উদ্দিন, তাফসির উদ্দিন, নবাব মিয়া, সহ এলাকার মান্যগণ্য ব্যক্তিবর্গ ।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই মিরান ভাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান অনুষ্ঠানের আয়োজকরা। এসময় ভাই বন্ধু সহ এলাকাবসীর ভালোবাসায় সিক্ত মিরান ভাই জন্মদিনের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, গতকাল ২০ জুন ছিলো আমার ৪১তম জন্মদিন। নানান কাজের ব্যস্ততায় নিজের জন্মদিনের কথা আমার নিজের মনে না থাকলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ঠিকই মনে রেখেছে এবং আমি সহ আমার সকল ফেসবুক ভাই-বন্ধুদের মনে করিয়ে দিয়েছে। তারই কল্যাণে সকল বন্ধু-বান্ধব, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, সরকারি কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও আত্মীয়-স্বজনসহ ছোট বড় সকল শুভাকাংঙ্খীরা যেভাবে আমাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আপনাদের ভালোবাসায় জড়িয়ে নিলেন তাতে আমি সত্যিই অভিভূত। আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ও প্রত্যেক প্রিয়জনদের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি এবং সেই সাথে আমি আমার নিজের জন্যেও প্রত্যেকের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।
আমার বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম পিতার আদর্শকে বুকে ধারণ করে সবসময় চেষ্টা করি নির্যাতিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে। আবার নির্যাতিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে গিয়ে সমাজের রাঘববোয়ালদের ষড়যন্ত্রের শিকার ও হয়েছি বহুবার। এরপরও এসব ষড়যন্ত্রকে পায়ের তলায় পিষ্ট করে নির্যাতিত অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। আর মানুষের পাশে থাকার প্রতিদান হিসেবে কী পাওয়া যায় তা আজকে আমার জন্মদিন না আসলে হয়তোবা বুঝতে পারতাম না। এতোবেশি মানুষের ভালোবাসা পাবো তা ছিলো আমার কল্পনারও বাহিরে।
আজকে হঠাৎ এমন আয়োজন আমাকে আবেগাপ্লুত করেছে। আমি অনুধাবন করতে পেরেছি যে এলাকার মানুষ আমাকে কতটা ভালোবাসে।তিনি আরও বলেন, আজ মানুষের যে ভালোবাসা পেলাম, এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। সবার ভালোবাসা পেয়ে আমি অভিভূত। যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন আজকের স্মৃতি আমাকে প্রেরণা দেবে।
জন্মদিন উপলক্ষ্যে দেশ বাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। ১৯৮৩ সালের এই দিনে মোঃ মিরান এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এলাকার সমাজ সেবায় সর্বদা তিনি নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।
মোঃ মিরান
বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী
হারবাং, চকরিয়া, কক্সবাজার।



