পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে সিলাগালাকৃত একটি অবৈধ করাতকলের যন্ত্রাংশ রাতের আঁধারে খুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ৩০ মার্চ পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পেকুয়াবাজার,রাজাখালী আরবশাহ বাজার,টৈটং,চড়াপাড়া স্টেশন ও বারবাকিয়া অভিযান চালিয়ে ২৮ টি অবৈধ করাতকল সীলগালা করে বন্ধ করে দেয়।
এদিকে প্রশাসনের সীলগালাকৃত একটি অবৈধ করাতকলের যন্ত্রাংশ গতকাল ৮ জুন গভীর রাতে উধাও হয়ে যায়। স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রশাসনের সিলগালাকৃত করাতকল অনুমতি ছাড়া খুলে নিয়ে গেছে মালিক মোহাম্মদ ফোরকান। তিনি পেকুয়া সদর ইউনিয়নের শেখেরকিল্লা ঘোনা গ্রামের আবদু শুক্কুরের ছেলে। এদিকে সিলগালাকৃত অবৈধ করাতকলের যন্ত্রাংশ রাতের আঁধারে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি পরদিন ৯ জুন চাউর হয়।
পেকুয়া বাজারের একাধিক কাঠ ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মোহাম্মদ ফোরকানের মালিকানাধীন করাতকলসহ ২৮টি অবৈধ করাতকল পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন গত দুই মাস আগে সিলগালা করে দেয়।হঠাৎ করে গতকাল ৯ জুন রাতে অবৈধ করাতকলের মালিক ফোরকান প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া করাতকলটি খুলে বাড়িতে নিয়ে যায়।
করাতকল খুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর পেয়ারা বেগম, এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি নন।
প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সিলগালাকৃত করাতকল খুলে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে করাতকলের মালিক ফোরকান বলেন, ইউএনও সাহেব মাত্র ৩টি করাতকল সিলগালা করেছিল। আমারটা করেনি। আমার মিল আমি খুলে নিয়ে গেছি।



