যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর ভাই আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় দেড় কোটি পাউন্ড মূল্যের একটি ফ্ল্যাট বিক্রি ও হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন দেশটির হাইকোর্ট। অর্থ পাচারের সন্দেহে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির (এনসিএ) তদন্তের অংশ হিসেবে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্ল্যাটটি কেনার অর্থের উৎস সম্পর্কে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি আনিসুজ্জামান চৌধুরী।
এনসিএর অভিযোগ, সম্পদটির প্রকৃত মালিকানা আড়াল করার উদ্দেশ্যে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্ল্যাটের মালিকানার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ার মাত্র এক পাউন্ডের বিনিময়ে তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ফ্ল্যাটটি অপরাধলব্ধ অর্থ দিয়ে কেনা হয়ে থাকতে পারে, এমন দাবি করার যথেষ্ট যুক্তিসংগত ভিত্তি রয়েছে। তবে আনিসুজ্জামান চৌধুরী কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আদালতে তাঁর আইনজীবীরা ফ্ল্যাটটির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির আদেশের বিরোধিতা করেননি।
এর আগে, ২০২৫ সালের জুনে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৮ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড মূল্যের সম্পদ জব্দের আদেশ পান এনসিএ। একই সঙ্গে এসব সম্পদের অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করতে সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি আদালতের নির্দেশনা নেওয়া হয়।
যুক্তরাজ্যে অর্থ পাচার ও সন্দেহজনক সম্পদের মালিকানা নিয়ে এনসিএর চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে নতুন এই আদেশ এসেছে। তবে ফ্ল্যাটটির বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়; এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আরু|



