মোঃ শামীম মিয়া, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
মানিকগঞ্জ শিবালয় উপজেলা তেওতা ইউনিয়নে অবস্থিত দক্ষিন তেওতা যমুনা নদী থেকে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু-মাটি উত্তোলন করছে তেওতা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কাদের।
নদী থেকে অবৈধভাবে বালু-মাটি উত্তোলন করার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। অসাধু এই মাটির ব্যবসায়ীরা এক পর্যায়ে জোর করে ক্ষমতার বলে নদী থেকে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু মাটি উত্তোলন করে মাটি বিক্রি করছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় জাফরগঞ্জ থেকে দক্ষিন তেওতা পর্যন্ত প্রায় ১০/১২ টি মতো বালু-মাটি কাটার অবৈধ ড্রেজার চলমান রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ ড্রেজার দিয়ে যেভাবে নদী থেকে বালু -মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে এর ফলে আমাদের বাড়ি- ঘর এবং ফসলি জমি নদীতে যে কোন সময় বিলীন হয়ে যাবে। মাঝেমধ্যে নামে মাত্র অভিযানে ভাঙচুর করা হলেও কিছু দিন বন্ধ রেখে তারা আবার চালু করেন।
এ থেকে আমরা পরিত্রান চাই। এ ছাড়া রাতের বেলায় ড্রেজার মেশিনের বিকট শব্দে আমাদের ঘুমের সমস্যা হয়। নদী থেকে আসা ড্রেজার পাইপ ৩ ফলসি জমির উপর দিয়ে বিছানো হয়েছে, এতে কৃষকদের ফসল নষ্ট হচ্ছে।
এদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে গেলে তারা আমাদেরকে নানান রকমের ভয় ভীতি দেখায়।
এ বিষয়ে স্থানীয় ড্রেজার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেল ,তারা জানান এর দায়িত্বে রয়েছেন কাদের চেয়ারম্যান। তার কাছে যান।
ড্রেজার ব্যবসায়ী তেওতা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কাদেরর নিকটে ফোনে জানতে চাইলে, তিনি বলেন আমি শুধু একা ড্রেজার মেশিন নদীতে বসিয়ে বালু- মাটি উত্তোলন করি না । আরো অনেকই করে । আমি কারো দায়িত্বে নেই। একদিন আসেন চা খাওয়ার দাওয়াত রইলো।
এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) বেলাল হোসেন বলেন, নদীতে অবৈধ ড্রেজার মেশিনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে হাজার হাজার পাইপ বিনষ্ট করছি ,কিন্তু কাউকে পাই না।


