জহির সিকদার, কসবা(ব্রাহ্মনবাড়িয়া) থেকে ফিরেঃ
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, ‘দলীয় প্রতীক ছাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আওয়ামী লীগের নৈতিক পরাজয় নয়, এটি জনগণের চাহিদা। এজন্যই জনগণের সরকার প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এরকম একটি মুল্যবান সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটা হলে বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে।’
তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচন যখন আগে হতো তখনো তো উনারা ছিলেন। বিএনপি যখন আগে দলীয় প্রতীক ছাড়া উপজেলা নির্বাচন করেছিল তখন কি তাদের নৈতিক পরাজয় হয়েছিল? এগুলো তাদের উদ্ভট কথা বললে মনে হয় উত্তর দেয়ার প্রয়োজন হয় না।’
শনিবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে কসবা পৌর শহরে তার মায়ের নামে নবনির্মিত জাহানারা হক পাবলিক লাইব্রেরির ভবন ও কসবা পৌরসভার বাস্তবায়িত ২০টি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
প্রতীকবিহীন নির্বাচন আওয়ামী লীগ সরকারের আরেকটি নৈতিক পরাজয়- বিএনপি নেতা মঈন খানের এমন মন্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাপারটা হলো জনগণ যেভাবে অভ্যস্ত সেই অবস্থায় নির্বাচন করাটা আমার মনে হয় সঠিক। এর আগে প্রতীকে নির্বাচন হয়েছিল এবং আমার মনে হয় ভবিষ্যতে প্রতীক দিয়েই কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে। ভবিষ্যতে যতই গণতন্ত্র আরো সুদৃঢ় হবে দেশে এটা কিন্তু একটা অনিবার্য জিনিস হয়ে যাবে। আজকে সেই শিক্ষণীয় প্রসেসের মধ্যে যদি এবার প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হয় সেটা বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে এবং সেটা জনগণের চাহিদা বলেই জনগণের সরকার এবং জনগণের সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভবিষ্যতে দেশে গণতন্ত্র আরো সুদৃঢ় হবে।’
এসময় আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম সারোয়ার, উপজেলা চেয়ারম্যান রাশেদুল কাওসার জীবন ও পৌর মেয়র গোলাম হাক্কানী, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি কাজী আজহারুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্যানেল মেয়র আবদুল আজিজ, সাবেক পৌর মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো: মনির হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা সিদ্দিকী ও কুটি ইউপি চেয়ারম্যান ছাইদুর রহমান স্বপনসহ দলীয় নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে আইনমন্ত্রী কসবা পৌরসভার বিভিন্ন প্রকল্প কাজের উদ্বোধন করেন।


