
রুশমী আক্তার, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) :
বাজারে চাল,ডাল,তেল, ব্রয়লার মুরগি,চিনি,লবণসহ সব পণ্যই বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে।সেই সঙ্গে মাছ-মাংস এবং পেঁয়াজ,আলুসহ সব ধরনের সবজিরও বেড়েছে দাম।সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে১০থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে বেশির ভাগ সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।শনিবার (৪নভেম্বর)চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বটতলী বাজার, পদুয়া তেওয়ারি হাট বাজার,ঠাকুর দীঘি কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিকেজি বেগুন৮০থেকে ১০০টাকা,কাঁচামরিচ১২০ থেকে১৫০টাকা, করলা৯০ থেকে১০০টাকা,ঢেঁড়স- পটোল-চিচিঙা-ঝিঙা-কাঁকরোল ৮০ টাকা, শিম ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, কচুরমুখী ৯০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং গাজর ও টমেটো ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন,সম্প্রতি সারাদেশে টানা বৃষ্টিতে সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চট্টগ্রামের বাজারগুলোতে সরবরাহ কমে গেছে। এতে সবজির দাম বেড়ে গেছে।
পাইকারি বিক্রেতারা জানান, সম্প্রতি ভারী বর্ষণে বিভিন্ন এলাকায় আশপাশের সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এছাড়া বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সরবরাহ না থাকার কারণে সবজির দাম বেড়ে গেছে ।এদিকে বাজারে মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা করে। যা এক সপ্তাহ আগে ১২০ টাকা ছিল। নতুন দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকায়। যা এক সপ্তাহ আগে ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আমদানি করা আদা মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ৩৩০ টাকা। যা আগে ২০০ থেকে ৩২০ টাকা ছিল।
ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০টাকায়
।পাশাপাশি প্রতি কেজি সোনালি জাতের মুরগির বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা দরে।দেশি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা। আর প্রতি কেজি গরুর মাংস ৮০০ ও খাসির মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পাঙ্গাশ, চাষের কই ও তেলাপিয়া মাছের কেজি ২২০ থেকে ২৮০ টাকা। প্রতি কেজি রুই, কাতলা, কালিবাউশ ও মৃগেল বিক্রি হচ্ছে আকারভেদে ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকায়।
জয়নাল নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে প্রত্যেকটি পণ্যের দাম অনেক বেশি। ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। পাশাপাশি মাছ-মাংসের দামও অনেক। তাই, সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
শাওন নামে আরেক ক্রেতা বলেন, বাজারে সব জিনিসের দাম বেশি। নির্ধারিত বেতন দিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। তাই বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সরকারে কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।









