জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব দূতাবাসেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিধি শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে ৭ নভেম্বর দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে।
এর আগে, গত ৫ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দিনটি সাধারণ ছুটি হিসেবে পালিত হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপনসংক্রান্ত পরিপত্রে দিবসটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।
ঐতিহাসিকভাবে, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থানের পর তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি হন। ওই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ। পরে ৭ নভেম্বর কর্নেল আবু তাহেরের নেতৃত্বে পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। এরপর দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন তিনি।
দিনটিকে বিএনপি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে দিবসটি বাদ দেওয়া হয়। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও জাতীয় দিবসের তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
এবার দিবসটি উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সরকারি নির্দেশনার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিনটি পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
আরু|



