গত মৌসুম স্বপ্নের মতোই কেটেছে রিয়াল মাদ্রিদের। স্প্যানিশ লা লিগার রাজত্ব উদ্ধারের পর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগেও সিংহাসনে ফিরেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। ডাবলস জিতে মৌসুম শেষ করতে পারায় ছিল দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
তবে দুজনের কথা আলাদাভাবেই বলতে হচ্ছে। প্রথমজন ভিনিচিয়াস জুনিয়র। অন্যজন জুডে বেলিংহাম। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের গত মৌসুমে আগুন ঝরিয়েছেন তারা। রিয়াল মাদ্রিদের ট্রফি জয়ে দুজনের অবদান অপরিসীম।
মৌসুমজুড়ে এই টুর্নামেন্টে আলো ছড়ানোর বাড়তি পুরস্কার অবশেষে পেলেন ভিনি ও বেলিংহাম। চ্যাম্পিয়নস লিগের গত মৌসুমের সেরা খেলোয়াড়ের খেতাব জিতেছেন ব্রাজিলিয়ান ফরওয়ার্ড ভিনিচিয়াস। তার সঙ্গী বেলিংহামের হাতে উঠেছে উদীয়মান সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
গোল্ডেন বুট পেয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। গত মৌসুমে প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) ছিলেন তিনি। এই মৌসুম শুরুর আগে স্বপ্নের ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন ফরাসি ফরওয়ার্ড। চ্যাম্পিয়নস লিগের গত মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের স্বীকৃতিস্বরূপ গোল্ডেন বুট জিতেছেন এমবাপ্পে।
এমবাপ্পে, বেলিংহাম এবং ভিনিচিয়াস এই তিনজনই এখন রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়। আক্রমণের এই ত্রিফলাকে নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছে স্প্যানিশ ক্লাব ও তাদের সমর্থকরা। যদিও এখন অবধি সেরা ছন্দ খুঁজে পায়নি রিয়াল মাদ্রিদ। তাদের নিয়ে কাজ করছেন রিয়াল কোচ আনচেলত্তি।
উল্লেখ্য, গত মৌসুমে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে কাঁদিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ জেতে টুর্নামেন্টের রেকর্ড (সর্বোচ্চ) ১৫তম শিরোপা। তাদের ধারেকাছেও কেউ নেই। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাতবার ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেছে ইতালিয়ান জায়ান্ট এসি মিলান। বায়ার্ন মিউনিখ ও লিভারপুল সমান ছয়বার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।



