সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজার জেলার সনাতনী সম্প্রদায়ের বৃহত্তর ধর্মীয় স্থান ও সমূদ্র ঘেরা পাহাড় দ্বীপ মহেশখালী উপজেলার অন্যতম তীর্থস্থান শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দির পাদদেশে মৈনাক পর্বতের চূড়ায় অবস্থিত শ্রী শ্রী আদিনাথ রামসীতা মন্দিরে মর্যাদা পুরুষোত্তম ভগবান শ্রী রাম চন্দ্রের আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে মহা রামনবমী পূজা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অদ্য ১৭ এপ্রিল (বুধবার) শ্রী শ্রী আদিনাথ রামসীতা সেবক সংঘের উদ্যোগে সকালে রাম ধজ্জা উত্তোলন, মঙ্গল শোভাযাত্রা, রাম নবমী উপলক্ষে ভগবান রামচন্দ্রের পূজা ও ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রামনবমী চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথিতে অনুষ্ঠিত হয় এবং এই উৎসবটি ভগবান রামের জন্মবার্ষিকী হিসাবে সারা দেশে ব্যাপক আড়ম্বরের সঙ্গে পালিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, সাংসদ সদস্য (মহেশখালী-কক্সবাজার), সভাপতিত্ব করেন শ্রীযুক্ত বাবু ব্রজ গোপাল ঘোষ, প্রধান উপদেষ্টা, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, মহেশখালী উপজেলা এবং প্রধান ধর্মীয় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপাদ রাধা গোবিন্দ দাস ব্রহ্মচারী, অধ্যক্ষ, কক্সবাজার ও বান্দরবান ইসকন মন্দির
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ মহেশখালী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক শ্রীযুক্ত বাবু রতন দে (সাবেক কাউন্সিলর), শ্রী শ্রী আদিনাথ মন্দির সংস্কার কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক শ্রীযুক্ত বাবু সুব্রত ঘোষ, অত্র এলাকার ইউপি মেম্বার শ্রীযুক্ত বাবু সুজন কান্তি দে, পল্লী চিকিৎসক ডাঃ শ্রীমন্ত দে, বিশিষ্ট আইনজীবী শ্রীযুক্ত বাবু মিনাল চক্রবর্তী, প্রবীণ শিক্ষক দিলীপ দাশ, শ্রী শ্রী আদিনাথ রাম সীতা সেবক সংঘের সভাপতি শ্রীযুক্ত বাবু প্রদীপ দে, রতন দে, রিপন দে, প্রণব দে (কালু) সহ প্রমুখ।
ধর্মীয় আলোচনা সভা বলেন- এই উৎসব সাধুদের পরিত্রাণ, দুষ্কৃতকারীদের বিনাশ এবং ধর্ম সংস্থাপনের জন্য ঈশ্বরের অবতরণ করাকে নির্দেশ করে। রাম নবমী উৎসব উদযাপন শুরু হয় সূর্যদেবতা প্রসন্ন করার জন্য ভোরবেলা জলম (জল) নিবেদনের মাধ্যমে। এই বিশ্বাসের কারণে যে সূর্যের বংশধররা রামের পূর্বপুরুষ ছিলেন।শেষে আনন্দ বাজারে মহা প্রসাদ বিতরণ ও রাম সঙ্গীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।


