

কক্সবাজার প্রতিনিধি :
লাখ লাখ টাকা খরচ করে সংস্কার করা হয়েছিল পর্যটন শহর কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী লালদিঘী, গোলদিঘী ও বাজারঘাটা পুকুর।
এতে সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি শহরবাসীর পানির সংস্থান ছাড়াও আকর্ষণীয় এই তিন পুকুরগুলো ঘিরে পর্যটকদের বিনোদনের বিষয়টি ছিল চোখে পড়ার মত। প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার হাজার হাজার মানুষ পুকুরগুলোতে ঘোরাফেরা করত।
এছাড়াও জরুরী সময়ে ফায়ারব্রিগেড এখান থেকেই সহজে পানি সংগ্রহ করতে পারত।
একসময় এই পুকুরগুলো অযত্নে অবহেলায় অকেজু এবং বেদখল হতে বসেছিল। ভূমিদস্যুরা এগুলো বিভিন্ন কায়দায় দখলে নিয়ে যাচ্ছিল।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান কর্ণেল অব. ফোরকান আহমদ এগুলো উদ্ধার করে এগুলোর সৌন্দর্য বর্ধন করেছেন।
সংস্কারের পর পুকুরগুলোতে ভরপুর পানি থাকত। এখানে পানি ধরে রাখার জন্য গভীর নলকুপ স্থাপন করা হয়েছিল। এখন অযত্নে অবহেলায় এ পুকুরগুলো আগের মত শুকিয়ে গেছে। র্যালিং এ ব্যবহৃত মালামালগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, চুরি হয়ে যাচ্ছে। সর্বোপরি পুকুরগুলো সৌন্দর্য এবং আকর্ষণ হারাচ্ছে।
বর্তমান উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের যেন এগুলো সংরক্ষণের প্রতি অবহেলা!
এখন জনগণের প্রশ্ন, পর্যটকদের প্রশ্ন পুকুরগুলোর অপরাধ কী? এর দায় কার?









