
সাব্বির মির্জা,(তাড়াশ) প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে পবিত্র রমজান মাসে বেড়েছে বেলের চাহিদা। স্থানীয়দের চাহিদা মিটিয়ে আড়ত থেকে বেল পাঠানো হচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, তাড়াশ উপজেলার মহিষলুটি বাজারের বেলের আড়তে কাজ করছেন ১৬ জন শ্রমিক। আড়তের একস্থানে জড়ো করে রাখা হয়েছে বেল। ব্রাশ দিয়ে মেজে বেল পরিষ্কার করছে শ্রমিকরা। অন্যরা সেগুলো বস্তায় ভরে মাপ দিচ্ছে। তারপর বিক্রি করা হচ্ছে পাইকারদের কাছে। খুচরো বিক্রির উদ্দেশ্যে পাইকাররা সেগুলো নিয়ে যাচ্ছে ঢাকা শহরে।
পাবনার সাথিয়া উপজেলার খাদেম আলী বলেন, আমার বাড়িতে ১টি বেল গাছ আছে। ৯০ কেজি বেল আড়তে ৬ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি।
নাটোরের সিংড়া উপজেলার কোরবান হোসেন বলেন, আমার বাড়ির পরিত্যক্ত আঙিনায় দুইটি গাছ আছে। নিজেদের খাওয়ার পরও ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার বেল বিক্রি করি প্রতিবছর।
আড়তদার আল-আমিন হোসেন বলেন, সিরাজগঞ্জ ছাড়াও নাটোর, পাবনা ও বগুড়া জেলার বেল আসে আমার আড়তে। এ ৪ জেলায় কোথাও বেলের আড়ত নাই। আগে প্রতিদিন ঢাকায় এক ট্রাক বেল যেত। কিন্তু রমজানে চাহিদা বেড়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে কেনাবেচা।
রাজশাহী সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রফিকুজ্জামান শাহ বলেন, বেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও পটাশিয়াম রয়েছে । পাশাপাশি, বিভিন্ন খনিজ ও ফাইবারসহ পুষ্টি উপাদান থাকায় এ ফল হজমের জন্য ভালো। বেল গাছ অযত্ন–অবহেলায় জন্মায় বলে আমরা এর গুরুত্ব বুঝি না।









