
সুদর্শন আচার্য্য,মদন নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ
নেত্রকোণা জেলার দুই উপজেলা কেন্দুয়া ও মদনকে পৃথক করে রেখেছে কৈজানি নদী। এখানে একটি সেতু নির্মাণ করলে বদলে যাবে দুই জনপদের জীবন যাত্রার মান-বেঁচে যাবে হাজারো কর্মঘন্টা।
খড়স্রোতা কৈজানি নদীর ফেরিঘাট দিয়ে প্রতিনিয়ত শত শত মানুষের চলাচল। শিক্ষার্থী,শ্রমজীবী,কৃষকসহ হাজারো সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন কাজে নদীর এপার ওপার যাতায়াতে বছরের পর বছর ধরে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
বর্তমান সরকারের আমলে সারা দেশে উন্নয়নের অংশ হিসেবে নদীটির দুই পাশের মাটির রাস্তা করা হলেও সেতুটি নির্মাণের কোনও প্রকল্প আজও দৃশ্যমান হয়নি। ফলে,লাখো মানুষের প্রাণের দাবী কৈজানি সেতু আদৌ নির্মাণ হবে কিনা সে ব্যাপারে সন্দিহান এলাকার মানুষ।
মদন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়ন ও কেন্দুয়া উপজেলার কান্দিউড়া ইউনিয়নের লোকেরা ছোট বড় যানবাহন নিয়ে প্রতিনিয়তই নৌকা যোগে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই পথ দিয়ে চলাচল করে। দুই এলাকার মানুষের। এই এলাকাটি কৃষি নির্ভর হওয়ায় প্রতিনিয়ত গবাদি পশু ও ফসল আনা নেয়া করতে হয় এই পথে। সাইডুলী নদী ও ধলাই নদীর পানি কৈজানি দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার দরুন এর স্রোত পাড়ি দিয়ে বৈশাখ মাসে বোরো ধান ও অন্যান্য ফসল পারাপারে কৃষকদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়।কৈজানি ফেরিঘাটে একটি সেতু হলে এলাকাবাসীর দূর্ভোগ অনেকাংশেই কমে যাবে।
নায়েকপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাদিস মেম্বর বলেন আমাদের আব্বা,দাদাদের সময় থেকে প্রায় (১০০/১৫০) বছর পূর্বে থেকেই ফতেপুর, তিয়শী, নায়েকপুর এই ৩ টি ইউনিয়নের লোকজন ছাড়াও বিভিন্ন এলাকার লোকজনএই পথ দিয়ে চলাচল করত। কিন্তু মদন – কেন্দুয়া রাস্তায় একটি ব্রিজ হওয়ার কারণে আগের চেয়ে এখন কম চলাচল করে । তবে একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে আমরা অল্প সময়ের মধ্যে কেন্দুয়া, নেত্রকোন, ময়মনসিংহ, সহ যে কোন জায়গায় যাতায়াতের জন্য কম সময় লাগবে।
কেন্দুয়া রৌশন ইজ দানী একাডেমি প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষ, শিক্ষা অনুরাগে, সমাজকর্মী, সুশীল চিন্তাবিদ, লেখক, জনাব আমিরুল ইসলাম তালুকদার বলেন। একটি সেতু নির্মাণে কেন্দুয়া ও মদন উপজেলার মানুষের জন্য অনেক উপকার হবে।









