বরিশালে জাতীয় ভাষা ইশারা দিবস ২০২৪ উদযাপন

মোঃ রাসেল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:

 

 

সমগ্র বিশ্বে শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী মানুষের মনের ভাব বিনিময়ের জন্য ইশারা ভাষাই এক মাত্র ভাষা। এই লক্ষ্যে বরিশাল টাউন হল প্রাঙ্গনে ৭ই ফেব্রুয়ারি রোজ বুধবার জাতীয় ভাষা ইশারা দিবস পালন করা হয়।

বরিশাল মূখ – বধির সংঘ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে থাকেন যেমন: প্রতিবন্ধীদের মাঝে বিভিন্ন সময় ত্রাণ বিতরন করে থাকে, বয়স্ক ব্যক্তিদের আর্থিক সহয়তা, শীত বস্র বিতরন ইত্যাদি বিষয়ের উপর প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে কাজ করে থাকে সেই ধারাবাহিকতা রেখেই জাতীয় ভাষা ইশারা দিবস পালন করলো মূখ – বধির সংঘ।

 

উক্ত দিবসে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শহিদুল ইসলাম পরিচালক (উপসচিব) বিভাগীয় সমাজসেবা অধিদপ্তর বরিশাল।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জাতীয় মুখ – বধির সংঘ এর সভাপতি মোঃ আজিম হোসেন (অবধির)

মোঃ আবু সুফিয়ান রাম্মান (সাধারণ সম্পাদক (বধির)

ফরহাদ হোসেন রনি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (বধির)

মোঃ মুসা হাওলাদার কার্যনির্বাহী সদস্য (অবধির)

 

উক্ত সংগঠনের বধির পরিচালক দো ভাষী মোঃ নওশাদ বলেন, বরিশাল মূখ – বধির সংঘ আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে বাক প্রতিবন্ধী এবং বধির দের যোগ্যতা অনুযায়ী তাদের যদি সরকারের বা বরিশাল সিটি করপোরেশন এর যেকোনো স্থানে কাজের ব্যবস্থা করে দেয়া হয় তাহলে বর্তমান আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাবে এবং সমাজের প্রতিবন্ধকতা কমবে এবং বধিরদের কর্ম সংস্থা হলো আগে যখন ইশারা ভাষা ছিলোনা তখন বাক প্রতিবন্ধীরা শিক্ষার আলো পায়নি এখন বাংলা ইশারা চালু হওয়ার পর থেকে প্রায় বধির ছেলে মেয়েরা শিক্ষিত।

 

বরিশাল মূখ – বধির সংঘ এর কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ মুসা হাওলাদার (অবধির) অনুষ্ঠানে সমাপ্তির দিকে সাংবাদিক দের বলেন, প্রতিবন্ধীদের ১০ দফা দাবি রয়েছে বরিশাল জেলার আওতায় সকল প্রতিবন্ধীরা নারী পুরুষ যোগ্যতা অনুযায়ী স্থানীয় সরকারের আওতায় চাকরির ব্যবস্থা করা।

সিটি কর্পোরেশনের আওতায় সকল বোধির নারী পুরুষদের যোগ্যতা অনুযায়ী উক্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিশ্চিত করা।

প্রতিবন্ধীদের খাস জমি বন্ধবস্তের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহের জন্য পর- নির্ভরতার হাত থেকে বাচার জন্য মৎস্য চাষ কৃষি কাজ পশু পালন হাস মুরগি পালনের সুযোগ করে দেওয়া।

বাংলাদেশের মধ্যে বরিশাল একটি স্বনামধন্য জেলা কিন্তু এখানে কোন বাক- প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই প্রথম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দাবি। যে সকল প্রতিবন্ধিদের প্রতিবন্ধী কার্ড রহিয়াছে তাদের প্রত্যেককে রেশন পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পাঠক প্রিয়