আতাফল চোখ ঠোঁটে ফোঁটে!
ঠোঁট মেলে ধরে আয়না!
নারীর কারুকার্যময় শরীর
নিতম্ব বড্ড চেনাজানা!
হা হরেক নারী মেলে ধরে পাখনা!
গা ভাসায় গড্ডালিকা প্রবাহে...!
অহমিকার আড়ালে লুকায় কিছু পুরুষ!
আবার টিনেজ রাতে ধরা দেয় একাকিত্বের জ্বালায়!
তখন ইচ্ছেরা শাসন করে দাড়ি গোঁফে!
তুমি পুরুষ আলো আঁধারের ছায়া!
মহব্বতিয়া সুরে বলে...
" এই, তুমি কি পড়ে আছো!"
ইচ্ছে ছিলো বলবো," প্যান্টি আর ব্রা।"
কিন্ত সভ্যতার মজমায় বেফাঁস পুরুষ ভুললেও
আমি ভুলিনি!
মোম পলিশ সুরে জানালাম," কেনো পুরুষ!"
আলতো বোলে বলে,একটা পিক দাও বেবি!
ফস করে বলে উঠি, "নিস্ফলা জারজ।"
কবিতায় তোর যতো আপত্তি!
তলে তলে পর্ণোগ্রাফি সেঁটে নাও!
তিরতির করে বেড়ে উঠে লকলকে কামেল সাপ!
চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে, "দুর্রা তোকে মারা উচিৎ,।"
আমি কিছু বলিনা, বরং কোতুহলী হয়! জেনে নেই পয়গম্বরের মধুপেয় বাণী!
বলে,
" তোমার শরীর ঠিক আছে বাবু!
তোমার চোখে অনেক আলো
মেঘ নিকষ করা তোমার শরীরি তুফান!
আমার মনে হয়, তুমি যজ্ঞ করবে!
দয়া করে মৌন তিমির মুখর করো
শরীরি সঙ্গিতে!"
আমি আলতো ঠোকা দেই!
দেখি, দাড়ি গোঁফে আর কি বের হই!
ঠোকায় ঠোকায় উন্মাদ হয়ে যায়!
আমি মাকড়সার জাল ছিঁড়ে বের হয়ে বলি,
আমি নারী
জ্বলন্ত নারী পৃথিবীময়!
অগ্নুৎপাতে দহন হবে
কাঙ্গাল হবে তোমার পৃথিবী!
হে মুখোশ পড়া বর্বর,
তোর ভেতর জানোয়ার বাস করে তা সহজেই অনুমেয়!
আমার কবিতা নিয়ে তুই কথা বলিস?
তুইতো বিশেষজ্ঞ, তুই ছাত্র ছাত্রী পড়াস।
গড়ে প্রতিদিন কটা ছাত্রী তোর চোখে দিয়ে
ধর্ষিত হয়?
এলেম জ্ঞান আমায় শেখাস?
নিঃশ্বাসে বয়ে যাওয়া, সয়ে যাওয়া শোকাক্রান্ত
নারী, উচ্চসিত কাল!
আরাধনার বস্তু!
নিয়তি কম জোড় করে বানিয়েছে
শুধু কোমল আলোকে ধরণী আলোকিত করতে!
তোদের মতো যারা, তারা শুধু বসে থাক
মধ্যরাতের পর্ণোগ্রাফি হাতে নিয়ে!
নারীদের আর কবিদের ঘাটাসনা!