
আজ সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম রফিকুল ইসলামের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবরে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।
পরে তিনি সোমবার (৩০ অক্টোবর) বিকালে সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। সেখানে পদত্যাগ পত্র জমা দেয়ার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, তিনি পদত্যাগ পত্র পেয়েছেন। পরে তিনি পদত্যাগ পত্রটি জেলা প্রশাসক প্রেরণ করেছেন। তিনি সেটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।
উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম মাল মামুন বলেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও দলীয় কর্মকাণ্ডে বেশি সময় দিতে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের পথ থেকে সরে দাঁড়াতে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয় যদি আমার পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করে তাকে উপজেলা চেয়ারম্যানের পথ থেকে অব্যাহতি দেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাকে যোগ্য মনে করে দলীয় প্রতীকে মনোনয়ন দেন তবে তিনি নির্বাচন করবেন।
কেন তাঁর এই সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই সীতাকুণ্ডর মাটি ও মানুষ আমার প্রাণ। আমার বাবার সাজানো বাগান এই আসন। আমিও জনগণের সেবায় দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি। যুবলীগের সভাপতি ছিলাম,এখন উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি।
আমি দুই দুইবার সফলভাবে উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব পারন করেছি। এই এলাকার জনগণই আমাকে এমপি পদে দেখতে চায়। তাই আমার এই সিদ্ধান্ত









