
মোঃ শামীম মিয়া , ষ্টাফ রিপোর্টার:
মানিকগঞ্জ জেলা সদর উপজেলা গোলড়া চরখণ্ড গ্রামে পূর্ব গঠিত জমি- জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাসুর আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে তার ছোট ভাইয়ের বউ বিউটি আক্তারকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। আহত বিউটি আক্তার মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, চরখণ্ড গ্রামের মৃত :আব্দুর রাজ্জাক মোল্লার দুই ছেলে বাবুল মোল্লা ও আনোয়ার মোল্লার মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
২৯ ই অক্টোবর রবিবার ছোট ভাই বাবুল মোল্লা মিস্ত্রি দিয়ে তার ঘরের কাজ করতে লাগছিলো। এ সময় বড় ভাই আনোয়ার এতে বাধা দেয় এবং বাবুল ও তার স্ত্রীকে মারধর করে। আনোয়ার এক পর্যায়ে তার ছোট ভাইয়ের বউ বিউটি আক্তারের তলপেটে ১০টি লাথি মারে এবং পানির পাইপ দিয়ে পিঠে অসংখ্য বাড়ি ও ঘাড়ে কামড় দেয়। স্থানীয় লোকজন আহত বিউটি আক্তারকে চিকিৎসার জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনা প্রেক্ষিতে বিউটি আক্তার ৩০ই অক্টোবর তার ভাসুর আনোয়ার মোল্লা ও তার স্ত্রী তামান্না আক্তার কে আসামি করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগী বিউটি আক্তার আরো জানান ,আমি অসুস্থ সিজারের রোগী ।এই সুযোগ পেয়েই আমার ভাসুর ও তার স্ত্রী তামান্না আক্তার আমাকে তলপেটে লাথি মারে এবং পানির পাইপ দিয়ে সজোরে অসংখ্য বার আঘাত করে এতে আমি গুরুতর আহত হই। এছাড়া আমার ভাসুর আনোয়ার ও তার স্ত্রী তামান্না আক্তার আমাকে ৩ মাস আগে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল ।সে সময় স্থানীয় লোকজন এসে আমাকে বাঁচায়। আমার ভাসুর আমার চুলের মুঠি ধরে এলো পাথারি ভাবে আমাকে মারধর করে এবং পোশাক ছিঁড়ে ফেলে আমাকে শ্রীলতা হানি করার চেষ্টা করে। আমার ভাসুর একজন চরিত্রহীন লোক । ৩ মাস আগে ঘিওরে এক মহিলাকে ধর্ষণ করার অভিযোগে সে ৩ মাস জেল খেটেছে। আমার ভাসুর আনোয়ার মোল্লা ও তার স্ত্রী তামান্না আক্তারের আইন অনুযায়ী কঠিন শাস্তি চাই।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুর রউফ সরকার জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বিউটি আক্তার তার ভাসুর আনোয়ার মোল্লা ও তার স্ত্রী তামান্না আক্তার কে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









